Home / বাংলা কবিতা (কবিতার বিষয় অনুযায়ী) / অনুপ্রেরণামূলক কবিতা

অনুপ্রেরণামূলক কবিতা

অনুপ্রেরণামূলক কবিতা মানুষকে অনুপ্রাণিত করে যে কোন কাজের প্রতি। কবিতা সাধারণত উৎসাহ , উপদেশ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্যই লেখা হয়। অনুপ্রেরণামূলক কবিতা উপদেশমূলক কবিতাও বলা যাতে পারে।

পারিব না – কালীপ্রসন্ন ঘোষ

‘পারিব না’ একথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার; পাঁচজনে পারে যাহা, তুমিও পারিবে তাহা, পার কি না পার কর যতন আবার একবার না পারিলে দেখ শতবার। পারিবে না বলে মুখ করিও না ভার, ও কথাটি মুখে যেন না শুনি তোমার। অলস অবোধ যারা কিছুই পারে না ...

Read More »

আদর্শ ছেলে -কুসুমকুমারী দাশ

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ? মুখে হাসি, বুকে বল তেজে ভরা মন “মানুষ হইতে হবে” — এই তার পণ, বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান, নাই কি শরীরে তব রক্ত মাংস প্রাণ ? হাত, পা সবারই আছে মিছে কেন ভয়, চেতনা রয়েছে ...

Read More »

তেজ – দেবব্রত সিংহ

‘মু জামবনির কুঁইরি পাড়ার শিবু কুঁইরির বিটি সাঁঝলি বটে।’ কাগজওয়ালারা বইললেক, “উঁ অতটুকু বইললে হবেক কেনে? তুমি এবারকার মাধ্যমিকে পত্থম হইছ। তোমাকে বইলতে হবেক আরো কিছু।” পঞ্চায়েতের অনি বৌদি, পধান, উপপধান, এইমেলে, এম.পি- সব একেবারে হামলিয়ে পড়ল আমাদের মাটির কুঁইড়েঘরে। জামবনি ইস্কুলের হেডমাস্টার কোন বিহান বেলায় টিনের আগর খুইলে, হেইকে, ...

Read More »

পড়ালেখা করে যেই – মদনমোহন তর্কালঙ্কার

লেখা পড়া করে যেই। গাড়ী ঘোড়া চড়ে সেই।। লেখা পড়া যেই জানে। সব লোক তারে মানে।। কটু ভাষী নাহি হবে। মিছা কথা নাহি কবে।। পর ধন নাহি লবে। চিরদিন সুখে রবে।। পিতামাতা গুরুজনে। সেবা কর কায় মনে।।

Read More »

আমার পণ – মদনমোহন তর্কালঙ্কার

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি , সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি। আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে , আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে। ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি , এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি। ভালো ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা , পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা। ...

Read More »

সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ

কত যে আঁধার পর্দা পারায়ে ভোর হল জানি না তা । নারঙ্গি বনে কাঁপছে সবুজ পাতা । দুয়ারে তোমার সাত সাগরের জোয়ার এনেছে ফেনা। তবু জাগলে না ? তবু, তুমি জাগলে না ? সাত সাগরের মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকো জাহাজ, অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়ায়ে রয়েছে আজ । ...

Read More »

পাঞ্জেরি – ফররুখ আহমদ

রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে? সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে? তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে; অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি। রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? দীঘল রাতের শ্রান্তসফর শেষে কোন দরিয়ার কালো দিগন্তে আমরা পড়েছি এসে? এ কী ঘন-সিয়া জিন্দেগানীর বা’ব তোলে মর্সিয়া ব্যথিত ...

Read More »

মনুষ্যত্ব – কুসুমকুমারী দাশ

একদিন লিখেছিনু আদর্শ যে হবে “কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে” | আজ লিখিতেছি বড় দুঃখ লয়ে প্রাণে তোমরা মানুষ হবে কাহার কল্যাণে ? মানুষ গড়িয়া ওঠে কোন্ উপাদানে ; বাঙালি বোঝেনি তাহা এখনো জীবনে— পুঁথি হাতে পাঠ শেখা—দু-চারটে পাশ আজিকার দিনে তাহে মিলে না আশ্বাস, চাই শৌর্য, চাই ...

Read More »

আদর্শ ছেলে – কুসুমকুমারী দাশ

আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে? মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন ‘মানুষ হইতে হবে’- এই তার পণ। বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ? হাত পা সবারই আছে, মিছে কেন ভয়? চেতনা রয়েছে যার, সে কি ...

Read More »

ছাড়পত্র – সুকান্ত ভট্টাচার্য

যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক, নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকার জন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে। খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত উত্তোলিত, উদ্ভাসিত কী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়। সে ভাষা বোঝে না কেউ, কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার। আমি কিন্তু মনে ...

Read More »