Breaking News

ভালোবাসার কবিতা

ভালোবাসার কবিতা (Valobasar kobita) বলতে সেই কবিতাকে বুঝায় যে কবিতায় অন্তর্নিহিত থাকে মানুষের প্রেম ভালোবাসার আবেগ, অনুভুতি,বিরহ। ভালোবাসার কবিতাকে রোমান্টিক বা প্রেমের কবিতাও বলা হয়। ভালোবাসা হচ্ছে মানবিক অনুভূতি ও আবেগকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা। ভালোবাসার সাথে নিঃস্বার্থতা, স্বার্থপরতা, বন্ধুত্ব, মিলন ও পারিবারিক বন্ধন নিবিড়ভাবে জড়িত। ভালোবাসার কবিতা (valobashar kobita) মানুষের ভালোবাসাকেন্দ্রিক মনকে জাগ্রত করে। ইংরেজিতে ভালোবাসার কবিতাকে Bengali love poem অথবা Bangla love poem বলে থাকে।

চিঠি দিও – মহাদেব সাহা

করুণা করে হলে চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও আঙুলের মিহিন সেলাই ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও, এটুকু সামান্য দাবি চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি। চুলের মতন কোনো চিহ্ন দিও বিস্ময় বোঝাতে যদি চাও সমুদ্র বোঝাতে চাও, মেঘ চাও, ফুল, পাখি, সবুজ ...

Read More »

আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

ভালো আছি, ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো দিও তোমার মালা খানি ।। বাউলের এই মনটারে ভিতরে বাহিরে আন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে আমার ভিতরে বাহিরে আওন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে পুষে রাখে যেমন ঝিনুক খোলসের আবরণে মুক্তোর সুখ ।। তেমনি তোমার নিবিঢ চলা ভিতরের এই বন্দরে আমার ...

Read More »

এ কেমন ভ্রান্তি আমার – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

এ কেমন ভ্রান্তি আমার ! এলে মনে হয় দূরে স’রে আছো, বহুদূরে, দূরত্বের পরিধি ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে আকাশ। এলে মনে হয় অন্যরকম জল হাওয়া, প্রকৃতি, অন্য ভূগোল, বিষুবরেখারা সব অন্য অর্থবহ- তুমি এলে মনে হয় আকাশে জলের ঘ্রান। হাত রাখলেই মনে হয় স্পর্শহীন করতল রেখেছো চুলে, স্নেহ- পলাতক দারুন রুক্ষ ...

Read More »

ভালবাসার সময় তো নেই – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

ভালবাসার সময় তো নেই ব্যস্ত ভীষন কাজে, হাত রেখো না বুকের গাড় ভাজে। ঘামের জলে ভিজে সাবাড় করাল রৌদ্দুরে, কাছএ পাই না, হৃদয়- রোদ দূরে। কাজের মাঝে দিন কেটে যায় কাজের কোলাহল তৃষ্নাকে ছোয় ঘড়ায় তোলা জল। নদী আমার বয় না পাশে স্রোতের দেখা নেই, আটকে রাখে গেরস্থালির লেই। তোমার ...

Read More »

সেই গল্পটা – পূর্ণেন্দু পত্রী

আমার সেই গল্পটা এখনো শেষ হয়নি। শোনো। পাহাড়টা, আগেই বলেছি ভালোবেসেছিল মেঘকে আর মেঘ কী ভাবে শুকনো খটখটে পাহাড়টাকে বানিয়ে তুলেছিল ছাব্বিশ বছরের ছোকরা সে তো আগেই শুনেছো। সেদিন ছিল পাহাড়টার জন্মদিন। পাহাড় মেঘেকে বললে আজ তুমি লাল শাড়ি পরে আসবে। মেঘ পাহাড়কে বললে আজ তোমাকে স্মান করিয়ে দেবো চন্দন ...

Read More »

আকাশলীনা – জীবনানন্দ দাশ

সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়োনাকো তুমি, বোলোনাকো কথা অই যুবকের সাথে; ফিরে এসো সুরঞ্জনা: নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে; ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে; ফিরে এসো হৃদয়ে আমার; দূর থেকে দূরে – আরও দূরে যুবকের সাথে তুমি যেয়োনাকো আর। কী কথা তাহার সাথে? – তার সাথে! আকাশের আড়ালে আকাশে মৃত্তিকার মতো তুমি ...

Read More »

তোমায় আমি – জীবনানন্দ দাশ

তোমায় আমি দেখেছিলাম ব’লে তুমি আমার পদ্মপাতা হলে; শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে। নদী সাগর কোথায় চলে ব’য়ে পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হ’য়ে জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে। তোমায় ভালোবেসেছি আমি, ...

Read More »

বনলতা সেন – জীবনানন্দ দাশ

বনলতা সেন কবিতা

বনলতা সেন ( Bonolota Sen ) বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা।  যার লেখক বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে জনপ্রিয় আধুনিক বাঙালি কবি  জীবনানন্দ দাশ। বনলতা সেন কবিতাটি (Banalata Sen) ১ম প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে ডিসেম্বর মাসে কবি বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায়। বনলতা সেন কবিতা টি সর্বকালের সবচেয়ে বেশি পঠিত বাংলা কবিতা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।  বনলতা সেন ...

Read More »

আমি যদি হতাম – জীবনানন্দ দাশ

আমি যদি হতাম বনহংস, বনহংসী হতে যদি তুমি; কোনো এক দিগন্তের জলসিঁড়ি নদীর ধারে ধানক্ষেতের কাছে ছিপছিপে শরের ভিতর এক নিরালা নীড়ে; তাহলে আজ এই ফাল্পুনের রাতে ঝাউয়ের শাখার পেছনে চাঁদ উঠতে দেখে আমরা নিম্নভূমির জলের গন্ধ ছেড়ে আকাশের রুপালি শস্যের ভিতর গা ভাসিয়ে দিতাম- তোমার পাখনায় আমার পালক, আমার ...

Read More »

সুরঞ্জনা – জীবনানন্দ দাশ

সুরঞ্জনা, আজো তুমি আমাদের পৃথিবীতে আছ; পৃথিবীর বয়সিনী তুমি এক মেয়ের মতন; কালো চোখ মেলে ওই নীলিমা দেখেছ; গ্রীক হিন্দু ফিনিশিয় নিয়মের রূঢ় আয়োজন শুনেছ ফেনিল শব্দে তিলোত্তমা-নগরীরর গায়ে কী চেয়েছে? কী পেয়েছে ?— গিয়েছে হারায়ে। বয়স বেড়েছে ঢের নরনারীদের, ঈষৎ নিভেছে সূর্য নক্ষত্রের আলো; তবুও সমুদ্র নীল: ঝিনুকের গায়ে ...

Read More »
DMCA.com Protection Status