Breaking News

পূর্ণেন্দু পত্রী

পূর্ণেন্দু পত্রী (Purnendu Patri) একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি। বাংলা সাহিত্যে কথোপকথন কবিতা রচনায় তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। কথোপকথন কবিতার নাম আসলে সর্বপ্রথম যার নামটি উচ্চারিত হয় তিনিই হলে পূর্ণেন্দু পত্রী । তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, চিত্র-পরিচালক এবং প্রচ্ছদশিল্পী। পূর্ণেন্দু পত্রী ১৯৩১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

কথোপকথন -৬ – পূর্ণেন্দু পত্রী

কালকে এলে না, আজ চলে গেল দিন এখন মেঘলা, বৃষ্টি অনতি দূরে ! ভয়াল বৃষ্টি, কলকাতা ডুবে যাবে । এখনো কি তুমি খুঁজছো নেলপলিশ ? শাড়ি পরা ছিল ? তাহলে এলে না কেন ? জুতো ছেঁড়া ছিল ? জুতো ছেঁড়া ছিল নাকো ? কাজল ছিল না ? কি হবে কাজল ...

Read More »

কথোপকথন -৫ -পূর্ণেন্দু পত্রী

আমি তোমার পান্থপাদপ তুমি আমার অতিথশালা । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – দরজাটা কই, মস্ত তালা ? তুমি আমার সমুদ্রতীর আমি তোমার উড়ন্ত চুল । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – সমস্ত ভুল , সমস্ত ভুল ? আমি তোমার হস্তরেখা তুমি আমার ভর্তি মুঠো । হঠাৎ কেন মেঘ চেঁচালো – কোথায় ...

Read More »

কথোপকথন -৪ -পুর্ণেন্দু পত্রী

– যে কোন একটা ফুলের নাম বল – দুঃখ । – যে কোন একটা নদীর নাম বল – বেদনা । – যে কোন একটা গাছের নাম বল – দীর্ঘশ্বাস । – যে কোন একটা নক্ষত্রের নাম বল – অশ্রু । – এবার আমি তোমার ভবিষ্যত বলে দিতে পারি । – ...

Read More »

কথোপকথন -৩ -পূর্ণেন্দু পত্রী

তোমার বন্ধু কে ? দীর্ঘশ্বাস ? আমার ও তাই । আমার শূন্যতা গননাহীন । তোমার ও তাই ? দুরের পথ দিয়ে ঋতুরা যায় ডাকলে দরোজায় আসে না কেউ । অযথা বাশি শুনে বাইরে যাই বাতাসে হাসাহাসি বিদ্রুপের । তোমার সাজি ছিল, বাগান নেই আমার ও তাই । আমার নদী ছিল, ...

Read More »

কথোপকথন -২-পূর্ণেন্দু পত্রী

এতো দেরী করলে কেন? সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি। – কি করবো বলুন ম্যাডাম? টিউশনি শেষ করে বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি। আমার জন্যে তো আর গেইটের বাইরে মার্সিডিজ দাঁড়িয়ে থাকে না যে ড্রাইভারের কুর্নিশ নিতে নিতে হুট করে ঢুকে পড়বো। তাই ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে, কাদা-জল ভেঙ্গে, গরীবের গাড়ি মানে ...

Read More »

অনির্বচনীয় __পূর্ণেন্দু পত্রী

নীল তারার আকাশে কত গান যে গায় পাখি কত যে পাখি সাগর-ছোঁয়া ডানায় রোদ ভরে এখানে আসে-আমার কাছে আমার উঠোনেই বধূর মতো কোমল দুটি করুণ চোখ তুলে। বধূও আসে কাজল রাতে কাজলদিঘী জল যখন ঢাকে চাঁদের মুখ কলমীবন ছুয়ে, তখন আমি তাকাই শুধু তাকাই বহু দূর তখন এই হৃদয় যেন ...

Read More »

ওগো তুমি বলে দাও __পূর্ণেন্দু পত্রী

আহা! এই পৃথিবীতে উজ্জীবিত কত না সুন্দর কত না সুন্দর এই পৃথিবীর অথৈ হৃদয়, সূর্যোদয়ে কত শোভা কত শোভা গোধূলি সন্ধ্যায় নক্ষত্র ব্যাপ্তির রূপ বিরহী গগনে উন্মুখর। সুন্দর দেখেছি কত আশ্বিনে এবং অঘ্রাণে কতদিন হেমন্তের হাওয়ায় হাওয়ায় ওড়া চুলে, কমিষ্ঠা কন্ঠার চোখে কত দূর জীবনের সুর সুন্দর দেখেছি কত রৌদ্রমুগ্ধ ...

Read More »

কী করে ভালোবাসবো __পূর্ণেন্দু পত্রী

কী করে ভালোবাসবো বল কী করে ভালোবাসবো বল সখী, মরুভূমির মতন যদি প্রাণের দাহে অহরহই জ্বলি, হৃদয়ে যদি গভীর ক্ষত বালুচরের মতন গ্রাস করে, কী করে ভালোবাসবো বল কী করে ভালোবাসবো বল সখী। দগ্ধ যদি বুকের টানে আমার সব হাসিরা ঝরে যায়, আমার সব সকাল আর রাত্রি যদি কাঁদনে ছলোছলো, ...

Read More »

বলো __পূর্ণেন্দু পত্রী

১ কে ডাকল? দরজা খুলি। কেউ নেই। পাতাবাহারের ডালে-ডালে লুটোপুটি হাওয়ার হাসির খিলখিল। হঠাৎ তোমার মুখ। বুকভর্তি দুপুরের খাঁ খাঁ। বলো, কেন ভাঙলে নির্বাসন? ২ নিজের ব্যথার ছুঁচে নিজে আমি সেলায়ে-সেলায়ে নকশি কাঁথার মতো। চতুর্দিকে প্রাণের প্রাণীর প্রাত্যহিক দিনলিপি। প্রত্যেকের নিশ্বাসে-প্রশ্বাসে মুহূর্তে-মুহূর্তে কাঁপা। একেই কি বলে সংলগ্নতা? ৩ উত্তরবঙ্গের জল, ...

Read More »
DMCA.com Protection Status